অগ্রবর্তী সময়ের ককপিট
বাংলাদেশ রাজনীতি সর্বশেষ

আমরা কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকতে চাই না: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকতে চায় না। বরং সারাবিশ্বের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক রেখেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) জামায়াত ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

তিনি বলেন, সবার জন্য সমতল মাঠ তৈরিতে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে কিনা থাকলে সেগুলো কি তারা আমাদের কাছে এগুলো জানতে চেয়েছেন। তারা আরও জানতে চেয়েছেন নির্দিষ্ট করে কোন কোন অঞ্চল নিয়ে আপনারা শঙ্কিত কিনা। প্রধানত দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের এবং নির্বাচন কমিশনকে অর্থবহ সহায়তা করার দায়িত্ব সরকারের। এ দুই অথরিটিকে জানানোর পরে যদি আমরা সমাধান পেয়ে যাই তাহলে এর বাইরে আর কাউকে আমরা জানাবো না।

কিন্তু যদি আমরা সমাধান না পাই তাহলে জনগণের জানার অধিকার আছে আমরা তাদের জানাবো। তখন আপনারাও জানবেন। 

তিনি বলেন, তারা এটাও জানতে চেয়েছেন আগামীতে যদি আমরা সরকার গঠন করি তাহলে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে, আমরা স্পষ্টভাবেই বলেছি বিশ্বের সবগুলো শান্তিকামী, সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেগুলো আছে সবার সঙ্গেই থাকবে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক।

তিনি বলেন, যারা আমাদের প্রতিবেশী তাদের সঙ্গেও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক থাকবে এবং আমরাও প্রত্যাশা করব তারা আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ করবে।

এ আচরণটা হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে। আমরা কোনো ক্ষেত্রেই কোনো অসমতা দেখতে চাই না। 

জামায়াত আমির আরও বলেন, আমাদের ফরেন পলিসি ও নির্বাচনের ব্যাপারে বলেছি যে আমরা কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকতে চাই না। বরং সারাবিশ্বের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক রেখেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

তারা জানতে চেয়েছেন সমাজের কোন সেকশন আমাদের বেশি সাপোর্ট দিচ্ছে।

আমরা বলেছি কোন আলাদা সেকশন নয় সবাই সাপোর্ট দিচ্ছে। তবে যুবকরা বিশ্বাস করে তাদের জন্য যদি কেউ কোনো ওয়াদা করে সেই ওয়াদা শুধুমাত্র জামায়াত ইসলামী রক্ষা করে। এ বিশ্বাসের জায়গা থেকেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনগুলোতে নির্বাচনের ফলাফলের প্রতিচ্ছবিতে ফুটে উঠেছে। যুবশক্তির সেখানে রিফ্লেকশন দেখা দিয়েছে। 

তিনি বলেন, আমরা আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তার বিষয়ে খুবই আন্তরিক। এ কারণে আমরা বিশ্বাস করি মা বোনেরাই আমাদের প্রধানত চয়েস করবেন। এর লক্ষণ আমরা এরই মধ্যে দেখতে পেরেছি। যার কারণ মা-বোনদের নির্বাচনে প্রচারণায় বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি হিজাব খুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এদের দেখলে তোমরা দেখিয়ে দিবা অথবা তাড়িয়ে দিবা।

সম্পর্কিত খবর

গণতন্ত্র, উন্নয়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য রাষ্ট্রপতির আহ্বান

gmtnews

সবার মধ্যে জেগে উঠুক ত্যাগের আদর্শ : রাষ্ট্রপতি

gmtnews

রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনে বড় ধরনের হামলা শুরু করেছে: জেলেনস্কি

gmtnews

মন্তব্য করুণ

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই অপ্ট আউট করতে পারেন। স্বীকার করুন বিস্তারিত