অগ্রবর্তী সময়ের ককপিট
বাংলাদেশ সর্বশেষ

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এর ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে আজ বুধবার। ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে অংশ নিয়ে এই বাহিনী আত্মপ্রকাশ করলেও পবিত্র রমজান মাসের কারণে এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এগিয়ে আনা হয়েছে ৬ মার্চে।
র‌্যাব জানায়, র‌্যাব সদর দপ্তরের শহীদ লে. কর্নেল আজাদ মেমোরিয়াল হলে আজ বুধবার সকাল ১০টায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। সেখানে অনুষ্ঠিত দরবারে বাহিনীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। পরে তার সঙ্গে এই বাহিনীর ১৫টি ব্যাটালিয়নের প্রধানের বৈঠক হবে। র‌্যাবের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্লোগান- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট র‌্যাব’। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন ও র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন পৃথক বাণী দিয়েছেন।
গত ২০০৪ সালে স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে অংশ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে র‌্যাব। ২৬ মার্চ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর দিনটিকে ‘রেইজিং ডে’ হিসেবে পালন করে থাকে পুলিশের এই এলিট ফোর্স। তবে পবিত্র রমজান মাসের কারণে এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এগিয়ে আনা হয়। বর্তমানে বাহিনীর মহাপরিচালকের (ডিজি) দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন। প্রতিষ্ঠার পর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও স্ব-স্ব এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ শুরু করে র‌্যাব। প্রায় তিন সপ্তাহ পর ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ রমনা বটমূলে নিরাপত্তা দিয়ে র‌্যাব তাদের কার্যক্রম শুরু করে। একই বছরের ২১ জুন পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে বাহিনীটি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে র‌্যাবের জনবল ও ব্যাটালিয়নের সংখ্যা। বর্তমানে সারাদেশে এই এলিট ফোর্সের ব্যাটালিয়ন সংখ্যা ১৫টি। যেখানে পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও সরকারের বেসামরিক প্রশাসনের বাছাই করা চৌকস কর্মকর্তা ও অন্য সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।
র‌্যাব দেশে জঙ্গিবাদ নির্মূলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি তাদের শক্তি জানান দেয়ার পরপরই মাঠে নামেন র‌্যাব গোয়েন্দারা। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, সামরিক শাখার প্রধান আতাউর রহমান সানিসহ শত শত জঙ্গিকে। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, ক্যাসিনো অভিযান ও দুধর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে এ বাহিনীটি। বিশেষ করে বনদস্যু ও জলদস্যু দমনে বিরাট সাফল্য দেখিয়েছে র‌্যাব। অপরাধীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কাজ করেছে তারা। র‌্যাব নিজস্ব অর্থায়নে তাদের পুনর্বাসনে ভূমিকা রেখেছে। কয়েক মাস আগে কক্সবাজারে মাদক ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সেলাই মেশিন দেয়াসহ বিভিন্ন কোর্সের ওপর প্রশিক্ষণও দিয়েছে।
স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট র‌্যাব স্লোগানের মান রেখেছে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের অংশ হিসেবে অনসাইট আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ওআইভিএস) ডিভাইসের প্রবর্তন করেছে র‌্যাব। এই ডিভাইসটি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকেই অজ্ঞাত ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গার প্রিন্ট), জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা জন্ম তারিখ ব্যবহার করে জানা যাচ্ছে ব্যক্তির পরিচয়সহ অন্যান্য তথ্য। এতে অপরাধ তদন্তে আরো গতিশীলতা বেড়েছে। রিপোর্ট টু র‌্যাব মোবাইল অ্যাপও চালু করেছে এই এলিট ফোর্স। এই অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সন্ত্রাসী তথ্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরাধ, নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য, খুন, অপহরণ, মাদক, ডাকাতির বিষয়ে যে কেউ সহজে জানাতে পারে

সম্পর্কিত খবর

সোভিয়েতের মতোই পতন হবে যুক্তরাষ্ট্রের : হুঁশিয়ারি হামাসের

Hamid Ramim

নিউইয়র্কে নারী উদ্যোক্তা পুরস্কার জিতলেন বরিশালের মেয়ে রোজা

Zayed Nahin

ইউক্রেন নগরী থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিচ্ছে রেডক্রসের গাড়িবহর

gmtnews

মন্তব্য করুণ

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই অপ্ট আউট করতে পারেন। স্বীকার করুন বিস্তারিত